স্মার্ট বিটিসিএল গড়তে কঠোর নির্শেনা দিলেন পলক

১৭ জানুয়ারি, ২০২৪ ১০:০১  

লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত করতে বার্ষিক নীরিক্ষা প্রতিবেদন ও ইন্টারনাল অডিটের পাশাপাশি আগামী মাসের মধ্যে বিটিসিএল-কে এক্সটার্নাল আইটি অডিট করার নির্দেশনা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে বোর্ড অব ডিরেক্টরে বাইরে থেকে দক্ষ প্রশাসক নিয়োগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যানকে। একইসঙ্গে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে বিগত ৫ বছরের বোর্ড মিটিং মিনিটস, শুন্য পদের তালিকা, চুক্তিতে নিয়োগ প্রাপ্তদের তালিকা এবং করপোরেট স্ট্রাটেজি প্লান ও বার্ষিক পার্মফরমেন্স এগ্রিমেন্টে কপি চেয়েছেন।

বুধবার সকালে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এর কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য চেয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার গুরুত্ব দিয়ে এক্ষত্রে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছেন।

এসময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান তার পাশে উপস্থিত ছিলেন। বিটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসাইন ছাড়াও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এসময় কর্মকর্তাদের লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে ব্যর্থ হলে পাঁচ মাসের পর ব্যয়ের খাতগুলো বন্ধ করে দেয়ার আগাম সতর্ক বার্তা দেন জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেছেন, স্মার্ট বিটিসিএল গড়ে তুলতে ৩০ জুনের মধ্যে আয়ের লাভজনক উৎস বাড়াতে হবে। যেগুলোতে লাভ নেই সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। যেখানে অপচয় হচ্ছে তা কমাতে না পারলে বন্ধ করতে হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বিটিসিএল এর কোনো কিছু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হবে না। আবেগতাড়িত হয়ে হবে না। কোনো গোষ্ঠী বা সিন্ডিকেটের প্রভাবে হবে না। যেটা দেশ ও মানুষের জন্য ভালো শুধু সেটাই হবে। সময়, অর্থ ও ব্যায় রোধ করে সেবার মান বাড়ানেই হবে আমাদের লক্ষ্য। আর সব কিছুই হবে ডেটা অ্যানালাইসিস এর মাধ্যমে।

সততার প্রশ্নে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে তিনি বলেছেন, বিটিসিএল এর বোর্ডের কারো বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি বা অভিযোগ পেলে কোনো সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। কোনো ক্রয়প্রক্রিয়া অনিয়ম হলে শাস্তি দেয়া হবে। আজকে থেকেই শুরু হবে। কোনো কিছু গোপন করা যাবে না। যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে তা প্রকাশ্যে করতে হবে। অভিযোগ ও পরামর্শ পাওয়ার একটি সুষ্ঠু সিস্টেম তৈরি করতে হবে।

বক্তব্যের পর উপস্থাপনার মাধ্যমে বিটিসিএল এর আয়-ব্যয় ও কার্যপ্রণালীর পর্যালোচনা করা হয়।